কক্সবাজার থেকে সিলেট, ঢাকা থেকে সেন্ট মার্টিন — দেশের নানা প্রান্তের মানুষ কীভাবে hagy ব্যবহার করে নিজেদের অভিজ্ঞতা বদলে নিয়েছেন, পড়ুন তাদের নিজের কথায়।
চারটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটের গল্প — একটাই প্ল্যাটফর্ম, hagy।
প্রতিটি গল্পের পেছনে আছে একটি বাস্তব মানুষের অভিজ্ঞতা।
রাশেদ করিমের বয়স ২৯। কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্টের কাছে তিনি ট্যুরিস্ট গাইড হিসেবে কাজ করেন। পর্যটন মৌসুমে আয় ভালোই হয়, কিন্তু অফসিজনে হাতে তেমন কাজ থাকে না। সেই ফাঁকা সময়কে কাজে লাগাতেই একদিন বন্ধুর কাছ থেকে hagy-র কথা শোনেন।
রাশেদ জানান, "প্রথমে একটু ভয় ছিল। অনলাইনে টাকা দেওয়া নিয়ে মানুষ অনেক কথা বলে। কিন্তু বন্ধু যখন বলল যে বিকাশেই ডিপোজিট করা যায় এবং উইথড্রয়াল করতেও কোনো ঝামেলা নেই, তখন ভরসা পেলাম।" প্রথম দিন মাত্র ৳২০০ ডিপোজিট করেন তিনি। ওয়েলকাম বোনাস যোগ হয়ে সেটা হয় ৳৪০০ — এই শুরুটাই তাকে আগ্রহী করে তোলে।
সমুদ্রের ধারে বসে মোবাইলে একটা ক্রিকেট ম্যাচে বেট করলাম, দেখলাম সত্যিই জিতলাম — সেই অনুভূতিটা আলাদা ছিল। hagy আমাকে দেখিয়ে দিয়েছে যে সময় কাজে লাগানো যায়।
রাশেদ মূলত ক্রিকেট ম্যাচ অডসে মনোযোগ দেন। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো তিনি ভালো বোঝেন — কোন খেলোয়াড় কোন পিচে ভালো খেলেন, সেটা নিয়ে তার নিজস্ব বিশ্লেষণ আছে। hagy-র লাইভ অডস ফিচারটা তাকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে। ম্যাচ চলার সময় অডস বদলায় — সেই মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই তার সাফল্যের মূল রহস্য।
ছোট বেটে শুরু, প্ল্যাটফর্ম বোঝার চেষ্টা। মোট বিনিয়োগ ৳৫০০, ফেরত পান ৳৭২০।
লাইভ বেটিংয়ে মনোযোগ দেন। সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক নিয়মিত পেতে থাকেন।
একটি ICC টুর্নামেন্টে সঠিক পূর্বাভাস দিয়ে এক রাতেই জেতেন ৳৩,২০০।
নিয়মিত খেলার সুবাদে VIP Silver স্তরে উন্নীত, মাসিক ১০% ক্যাশব্যাক উপভোগ করছেন।
রাশেদের পরামর্শ: "একসাথে বড় বাজি ধরবেন না। ছোট ছোট বেটে নিজেকে চেনান আগে। hagy-তে তাড়াহুড়া না করলে ফলাফল ভালো আসে।"
নাফিসা বেগম সেন্ট মার্টিন দ্বীপে একটি ছোট খাবারের দোকান চালান। ক্রিকেট তার প্রচণ্ড পছন্দ — বাংলাদেশের প্রতিটি ম্যাচ তিনি মনোযোগ দিয়ে দেখেন। ব্যবসার পাশাপাশি বাড়তি আয়ের কথা ভাবছিলেন, সেই সুযোগে hagy-র কথা জানতে পারেন একজন পর্যটকের কাছ থেকে।
নাফিসার কথায়, "আমি ক্রিকেট নিয়ে পড়াশোনা করেছি কখনো না — কিন্তু দেখতে দেখতে বুঝে গেছি কখন কোন দল ভালো অবস্থানে থাকে। hagy-তে যখন দেখলাম লাইভ অডস দেখতে দেখতে বেট করা যাচ্ছে, তখন মনে হলো এটা আমার জন্যই।" প্রথম মাসেই তিনি ৳২,৫০০ জেতেন — যা তার ব্যবসার একটা ভালো সাপ্লিমেন্ট হয়ে যায়।
hagy-র ইন্টারফেস নিয়ে নাফিসা বিশেষভাবে সন্তুষ্ট। "দ্বীপে নেটওয়ার্ক মাঝেমাঝে দুর্বল থাকে। তারপরেও hagy-র অ্যাপ ধীর ইন্টারনেটেও বেশ ভালো কাজ করে। এটা আমার কাছে সবচেয়ে বড় সুবিধা।"
দ্বীপে বসে ঢাকার ম্যাচ দেখছি আর hagy-তে বেট করছি — এটা আগে ভাবতেই পারতাম না। এখন এটা আমার রুটিনের অংশ হয়ে গেছে।
নয় মাসে নাফিসা মোট ৳১২,০০০ জিতেছেন। তবে তিনি পরিষ্কার বলেন যে প্রতি মাসে জয় আসেনি — কিছু মাসে ক্ষতিও হয়েছে। কিন্তু hagy-র ক্যাশব্যাক সিস্টেম সেই ক্ষতি অনেকটা কমিয়ে দিয়েছে। "হারা সপ্তাহেও ১৫% ক্যাশব্যাক আসে — এটা মনকে অনেক স্বস্তি দেয়।"
তারেক আহমেদের বয়স ৩৪। সিলেটের একটি চা বাগানে তিনি গত দশ বছর ধরে কাজ করছেন। মাসিক বেতন বেশি নয়, তবে পরিবার নিয়ে ভালোই চলে যায়। কিন্তু ছেলের স্কুলের খরচ আর বাড়ির ছোট মেরামতের জন্য বাড়তি টাকার দরকার ছিল। বাগানের একজন সহকর্মী hagy-র ফ্রি লটারি টিকিটের কথা বলেছিলেন।
তারেক প্রথমে ভেবেছিলেন "ফ্রি" মানে নিশ্চয়ই কোনো ধরার আছে। কিন্তু hagy-তে অ্যাকাউন্ট খোলার পর প্রতিদিন সত্যিই একটি ফ্রি লটারি টিকিট পাচ্ছিলেন — কোনো ডিপোজিট ছাড়াই। প্রথম দুই সপ্তাহ কিছু জেতেননি, তবে হাল ছাড়েননি।
তৃতীয় সপ্তাহে একদিন কাজ শেষে বাড়ি ফিরে ফোনে নোটিফিকেশন দেখেন — তার টিকিট মিলেছে। পুরস্কার: ৳৫০,০০০। "আমি প্রথমে বিশ্বাসই করিনি। স্ক্রিনশট নিয়ে বউকে দেখালাম। সে বলল 'এটা ফেক নয় তো?' তখন লাইভ সাপোর্টে মেসেজ করলাম — ওরা নিশ্চিত করল এবং পরের দিন সকালেই টাকা বিকাশে চলে আসে।"
চা বাগানে কাজ করি, স্বপ্নেও ভাবিনি এভাবে একদিনে এত টাকা পাব। hagy আমার পরিবারের জন্য সত্যিকারের একটা উপহার হয়ে এসেছিল।
সেই ৳৫০,০০০ দিয়ে তারেক ছেলের পুরো বছরের স্কুলের খরচ মিটিয়েছেন এবং বাড়ির টিনের ছাদটা মেরামত করেছেন। এখনও তিনি hagy-তে নিয়মিত ফ্রি টিকিট নেন। "বড় জয়ের পরেও আমি লোভ করিনি। ফ্রি টিকিটেই খুশি। কারণ যা পেয়েছি সেটা আমার জীবন বদলে দিয়েছে।"
তারেকের মতো প্রতিদিন hagy-তে লগইন করলেই বিনামূল্যে একটি লটারি টিকিট পাওয়া যায়। কোনো শর্ত নেই, কোনো লুকানো চার্জ নেই।
সুমাইয়া খানম ঢাকার মিরপুরে থাকেন। স্বামী বেসরকারি চাকরি করেন, দুটি বাচ্চা। সংসার সামলাতে সামলাতে নিজের জন্য কিছু করার সুযোগ পান না। একদিন বাচ্চারা ঘুমানোর পর রাত্রিবেলা মোবাইলে hagy-র বিজ্ঞাপন দেখেন — কৌতূহলে ক্লিক করেন এবং সেখান থেকেই শুরু।
সুমাইয়ার মতে hagy-র সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটা বোঝা সহজ। "আমি প্রযুক্তিতে খুব ভালো না। কিন্তু hagy-তে সবকিছু বাংলায় লেখা, বাটনগুলো পরিষ্কার। প্রথমবার নিজেই বুঝে গেছি কোথায় কী করতে হয়।" প্রথম সপ্তাহে তিনি শুধু ফ্রি লটারি টিকিট নেন, কোনো টাকা খরচ করেননি।
এরপর সাহস করে ৳৩০০ ডিপোজিট করেন। ওয়েলকাম বোনাস মিলিয়ে ৳৬০০ নিয়ে খেলা শুরু করেন। "প্রথমদিন ৳২০০ হারলাম। কিন্তু পরের দিন উইকেন্ড ফ্রি বেট পেলাম — সেটা দিয়ে ৳৪৫০ জিতলাম। হিসাব কষলে লাভেই ছিলাম।"
আমি একজন গৃহিণী। বাইরে কাজ করার সুযোগ নেই। hagy আমাকে ঘরে বসেই নিজের একটু আনন্দ আর মাঝেমাঝে বাড়তি কিছু আয় করার সুযোগ দিয়েছে। এটা আমার কাছে অনেক মূল্যবান।
সুমাইয়া নিজেই একটি মাসিক বাজেট নির্ধারণ করেছেন hagy-র জন্য। সংসারের টাকা থেকে আলাদা করে মাসে ৳৫০০-৳৬০০ রাখেন বিনোদনের জন্য। "আমি কখনো বাজেটের বাইরে যাই না। hagy-তেও একটা লিমিট সেট করার অপশন আছে — সেটা ব্যবহার করি।" এই মানসিকতার কারণেই তিনি ১১ মাসে ধারাবাহিকভাবে ভালো ফলাফল পেয়েছেন।
এই গল্পগুলো পড়ে যেসব প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি আসে।